ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ: জগন্নাথ মন্দিরে প্রতিদিনের পূজা অনুষ্ঠান (বিশেষ জন্মাষ্টমীর অফার)
ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ: জগন্নাথ মন্দিরে প্রতিদিনের পূজা অনুষ্ঠান (বিশেষ জন্মাষ্টমীর অফার) is backordered and will ship as soon as it is back in stock.
Couldn't load pickup availability
Genuine Products Guarantee
Genuine Products Guarantee
We guarantee 100% genuine products, and if proven otherwise, we will compensate you with 10 times the product's cost.
Delivery and Shipping
Delivery and Shipping
Products are generally ready for dispatch within 1 day and typically reach you in 3 to 5 days.
- ধরণ: ইংরেজি
- পৃষ্ঠা: xxii + 510
- আইএসবিএন: ৯৭৮৮১৭৩০৫৩১১৫
- সংস্করণ: ১ম
- প্রকাশক: আরিয়ান বুকস ইন্টারন্যাশনাল
- আকার: ১৯ সেমি x ২৫ সেমি
- পণ্য বছর: ২০০৪
এই গ্রন্থে প্রথমবারের মতো হিন্দুদের অন্যতম বিখ্যাত ও গুরুত্বপূর্ণ মন্দির, অর্থাৎ পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দৈনন্দিন পূজা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন রীতিনীতি অত্যন্ত বিশদভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই গ্রন্থটি লেখক কর্তৃক উড়িষ্যায় আবিষ্কৃত ও সংগৃহীত প্রচুর পরিমাণে খাঁটি তালপাতার পাণ্ডুলিপির উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা তাঁর ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ এবং মন্দিরের কর্মীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য দ্বারা প্রমাণিত। এটি একটি সুপরিচিত সত্য যে হিন্দু মন্দিরের রীতিনীতি অধ্যয়ন এখনও বৈদিক রীতিনীতির মতো এত ব্যাপক এবং গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করা হয়নি। এই গ্রন্থটি এই কাঙ্ক্ষিত শূন্যতা পূরণ করার চেষ্টা করে এবং মধ্যযুগীয় হিন্দুধর্মের গঠন এবং এর ধীরে ধীরে বিকাশের প্রক্রিয়া অধ্যয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান। হিন্দু পূজার রীতি মূলত একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং মহৎ আধ্যাত্মিক ঘটনা যেখানে ধ্যানের সময়, উপাসক প্রথমে তার জাগতিক দেহকে বিলীন করে নিজের জন্য একটি ঐশ্বরিক দেহ তৈরি করেন, যা তার দেবতার প্রকৃতির অনুরূপ। এরপর তাঁর হৃদয়ে দেবতার তেজকে তাঁর রূপের উপর একাগ্র ধ্যানের মাধ্যমে কল্পনা করে, তিনি এই ঐশ্বরিক জ্যোতিকে আপাতত প্রতিমূর্তিতে স্থানান্তরিত করেন যাতে স্বরূপের সাথে অভিন্ন দেবতার সাথে বিষয়-বস্তু সম্পর্ক অর্জন করা যায় এবং একই উচ্চ স্তর থেকে তাঁর ঈশ্বরের সাথে যোগাযোগ শুরু করা যায়। কোনও দেবতার পূজা আচারের বিশ্লেষণ কেবল সেই দেবতার আদিম ধারণা এবং চরিত্রের উপর আলোকপাত করে না, বরং সময়ে সময়ে তিনি যে পরিবর্তনগুলির মধ্য দিয়ে গেছেন তাও প্রতিফলিত করে। ফলস্বরূপ, এই গবেষণাটি ধর্মীয় অনুশীলন এবং দার্শনিক চিন্তাভাবনার বিভিন্ন ধারাকে আলোকিত করে যা বর্তমানে "জগন্নাথের ধর্ম" নামে পরিচিত, যা ঈশ্বরবাদী বিষ্ণুবাদের ওড়িশার রূপকে প্রতিনিধিত্ব করে।

